-->
হয়তো করোনার ঝুঁকি নিয়েই বেঁচে থাকতে হবে মানুষকে

হয়তো করোনার ঝুঁকি নিয়েই বেঁচে থাকতে হবে মানুষকে



মানুষকে হয়তো ভবিষ্যতে করোনাভাইরাসের ঝুঁকি নিয়েই বেঁচে থাকতে হবে। এর সঙ্গে খাপ খাইয়ে চলতে হবে।
কারণ কবে নাগাদ এর ভ্যাকসিন তৈরি হবে, সফলভাবে আদৌ কার্যকর কোনো ভ্যাকসিন তৈরি করা যাবে কিনা তার কোনো নিশ্চয়তা নেই।
কোভিড-১৯-এর জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষমাণ বিশ্ববাসীকে এমন হতাশার কথা শুনিয়েছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) শীর্ষ বিশেষজ্ঞ ও লন্ডনের ইমপেরিয়াল কলেজের বিশ্ব স্বাস্থ্য বিভাগের অধ্যাপক ডেভিড নাবারো। দ্য গার্ডিয়ান। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষের প্রাণ কেড়ে নিচ্ছে করোনা। ভয়ে কুঁকড়ে যাচ্ছে কোটি কোটি মানুষ। সবার একটাই প্রশ্ন, কবে তৈরি হবে ভ্যাকসিন। কবে হাতে পাব সেই ‘জাদুর কাঠি’।
স্বাস্থ্য ও রোগ প্রতিরোধ সংশ্লিষ্ট কর্তারা কেউ বলছেন, জোর চেষ্টা চলছে। তবে দেড় থেকে দুই বছর লাগবে প্রতিষেধক উৎপাদনে। আবার কেউ বলছেন, এ বছরের সেপ্টেম্বরের মধ্যেই। কিন্তু বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এই কর্মকর্তা বলছেন, এসব চেষ্টাতে কোনো লাভ হবে না। অদূর ভবিষ্যতে করোনার কার্যকরী কোনো প্রতিষেধক তৈরি হওয়ার কোনো নিশ্চয়তা নেই।
শুক্রবার ব্রিটেনের সংবাদমাধ্যম দ্য অবজারভারকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ডেভিড নাবারো বলেন, ‘সব ভাইরাসেরই যে নিরাপদ এবং কার্যকরী প্রতিষেধক তৈরি হবে, এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই। এমন অনেক ভাইরাস আছে যাদের প্রতিষেধক তৈরি করা অত্যন্ত কঠিন কাজ। সুতরাং সামনের দিনগুলোতে আমাদের এই ভাইরাসকে সঙ্গে নিয়েই বেঁচে থাকতে হতে পারে। সেই বিপদের কথা মাথায় রেখেই জীবনযাত্রা বদলে ফেলতে হবে।’
নাবারোর কথায়, ‘আমাদের এখন সাবধানতা অবলম্বন ছাড়া আর কোনো উপায় নেই। অর্থাৎ কারও মধ্যে এই রোগের উপসর্গ দেখলে তাকে এবং যারা তার সংস্পর্শে এসেছেন তাদের আইসোলেট করতে হবে। বয়স্ক মানুষদের আগলে রাখতে হবে। আর এটাকেই স্বাভাবিক নিয়ম করে ফেলতে হবে।’

Iklan Atas Artikel

Iklan Tengah Artikel 1

Iklan Tengah Artikel 2

Iklan Bawah Artikel